বার্তাবাজার নিউজ। সত্যের পাশে, সবসময়।

biggapon-1

বটিয়াঘাটায় সাড়ে ১৭ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই যুবদল নেতা গুলিবিদ্ধ

IMG 20261028 WA0008
মোঃ মিজানুর রহমান, খুলনা প্রতিনিধি:
খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় সাড়ে ১৭ ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথক দুটি ঘটনায় দুই যুবদল নেতাকে গুলি করে আহত করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে চক্রাখালী বাজারে বাদল হাওলাদারকে এবং রাত ১২টা ২০ মিনিটের দিকে আমিরপুর ইউনিয়নের বড়পুরিয়া গ্রামে সোহেল পারভেজকে গুলি করা হয়। আহত দুজনই উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া যায়নি।
চক্রাখালী বাজারে বাদল হাওলাদারকে গুলি
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে বটিয়াঘাটা উপজেলার চক্রাখালী বাজারের একটি দোকানের ভেতরে বসে ছিলেন যুবদল নেতা বাদল হাওলাদার। এ সময় মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা তাঁকে লক্ষ্য করে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে। পরে তারা মোটরসাইকেলযোগে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
আহত বাদল হাওলাদার উপজেলার তেঁতুলতলা গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম আলতাফ হাওলাদার। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাঁকে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
রাতেই সোহেল পারভেজকে গুলি
এরপর রাত ১২টা ২০ মিনিটের দিকে উপজেলার ৭ নম্বর আমিরপুর ইউনিয়নের বড়পুরিয়া গ্রামে সোহেল পারভেজ (৩৬) নামে আরেক যুবদল নেতাকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। তিনি ওই ইউনিয়নের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম গনি শেখ। তিনি আমিরপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং বর্তমানে উপজেলা যুবদলের সদস্য বলে জানা গেছে। পেশায় তিনি ঘেরে মাছ চাষ করেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মোটরসাইকেলে করে আসা দুই ব্যক্তি সোহেল পারভেজকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। গুলির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সোহেলের শরীরে তিনটি গুলি লাগে। এর মধ্যে দুটি পিঠে লাগে এবং একটি ডান হাতে লেগে বেরিয়ে যায়।
উদ্বেগ স্থানীয়দের মধ্যে
একই উপজেলায় অল্প সময়ের ব্যবধানে দুই যুবদল নেতাকে গুলি করার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে পৃথক এ দুটি হামলার পেছনে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।কী কারণে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। হামলার কারণ উদ্‌ঘাটন, জড়িতদের শনাক্ত এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা জানা যাবে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে বটিয়াঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ না থাকায় কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।